আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তার শিক্ষা পরিচালনা
একটি মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার রূপরেখা
..
একটি মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার রূপরেখা
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে/ বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা/ আমরা তোমাদের ভুলব না/ দুঃসহ বেদনার কন্টক পথ বেয়ে/ শোষণের নাগপাশ ছিঁড়লে যারা/ আমরা তোমাদের ভুলব না/ -- গোবিন্দ হালদার
মুনীর চৌধুরি, শহীদুল্লাহ কায়সারের মত মেধাবী মানুষদের ওরা হত্যা করে। তারপর তাদের রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে ফেলে রাখে। এই তালিকায় নক্ষত্রপ্রতীম সব মানুষ ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, অধ্যাপক ডক্টর মুনীর চৌধুরী, ডাক্তার মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী, ডাক্তার আলীম চৌধুরী, সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন, নিজাম উদ্দিন আহমেদ, আনম গোলাম মোস্তফা, সেলিনা পারভীন ড. জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, ড. জিসি দেব, অধ্যাপক রাশিদুল হাসান, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আবুল খায়েরসহ আরও অনেকে। এদের মতো একেকজন মানুষ পেতে বাঙালিকে আরও হাজার বছর অপেক্ষা করতে হবে।
মামুন রশীদ তিনটি ছোটকাগজ সম্পাদনা করে- নক্ষত্র, দ্বিবাচ্য, সংক্রান্তি। ছোটকাগজ বলতে যারা কেবল পাতার গন্ধ বোঝেন, তারা জানেন এসব কতটা শ্রমসাধ্য। একেকটি সংখ্যা যেন অদৃশ্য মানুষের হাতছানির মতো, আধুনিক ও প্রাচীন সাহিত্যের মাঝখানে দাঁড়িয়ে নতুন পথের অনুসন্ধান। মামুন রশীদ সেসব পথের এক আগ্রহী পথিক। মাঝে মাঝে মনে হয়, সে শব্দ দিয়ে নিজের জন্য আরেকটা স্থায়ী ঠিকানা বানিয়ে ফেলেছে, যা ঢাকার ভিড়েও হারায় না।
হেমন্ত হলো নবান্ন উৎসবের ঋতু। নতুন ধানে ঘরে ঘরে পিঠা-পুলি-পায়েস তৈরির ধুম এই ঋতুতেই শুরু হয়। সারা বছরের মহাজনের কাছ থেকে ধার নেওয়া পাওনা পরিশোধের সুযোগ হয় ফসল ঘরে ওঠার পরেই। সারা বছরের মুখের অন্নের যোগানও আসে এ সময়। হেমন্ত তাই সুখ-সমৃদ্ধির কাল।
১৯৮৫ সালে তাঁর প্রথম নাটক এইসব দিনরাত্রি প্রচারিত হলে নাটকের জগতে যেন হৈ-হৈ লেগে যায়। দীর্ঘ প্রায় তিন দশকে হুমায়ূন আহমেদ নাটক আর চলচ্চিত্রে উপহার দিয়ে গেছেন একের পর এক নতুন মুখ। একেবারে নবীন বা স্বল্প পরিচিত অনেকে হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে কাজ করে হয়ে উঠেছেন তুমুল জনপ্রিয় তারকা।
"ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা যমের দুয়ারে পড়ল কাটা। যমুনা দেয় জমকে ফোঁটা আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।।"