শ্রাবণের শরীর
কতবার ফেলে এসে কতদিন ডেকেছি তোমায় গোপন দাওয়ায়। ঘুম ভেঙে বারবার শ্রাবণের ডুবভেজার গল্প শুনি। বহুবার কতবার কদমফুলেরা এসে ডেকে যায়, স্বপ্নে কাতর – শুনে যায় এভাবেই, পায় না কিছুই! ওরাও কি একদিন ভেসে আসে শ্রাবণের এতসব যুবতী শরীর নিয়ে – আরো কোনো কাকভেজা ডিঙিজল, নোনাজল ভাঙনের মৃত কোনো স্বপ্নরেখায়। তারাও কি তৃষ্ণার জল হয়ে…
দুঃখ নদীর ধারাপাত
অসহ্য ব্যথার আর কোনো ধারাপাত নেই। অচেনা শহরের গলিপথ ধরে, যে-ব্যথা দিন গোনে আঁচলের উষ্ণতা, সে এখন বিষণ্ন হাওয়ার রাত হয়ে, নির্জনতায় খুঁজে চলে – ভুলের যাপিত সময়। ক্ষয়ে যাওয়া কালের প্রশ্বাসে, যে ক্ষতচিহ্ন ভেসে আসে, সেও এখন, অহংকারের উচ্ছন্নে যাওয়া পাখির পালক। সাদাটে অন্ধকার নিয়ে, এই সব ভুলের যাপিত সময়, জেগে থাকে খরা…
পুষ্পাঞ্জলি ঘাট
১. ‘বুক রাখি ভালোবাসার ঘাটে’ মন থেকে জন্ম নেয় শিল্প, অতঃপর প্রণয়। বেঁধে রাখি সৃজন কানন, প্রণয়ের দড়ি – কেবলই শব্দ, চিত্র, কল্প, ছন্দ, উপমারা ভ্রমর সাজে। ও-ভ্রমর ছেড়ো না আমার; বুকের ভেতরে প্রণয়ের লেনাদেনা ঘাট। ২. ‘ঢেউয়ের দোলায় এসো মাতাল ভ্রমর’ ও বাউল ডেকো নাগো আর। একতারার বৈকুণ্ঠ হতে। হাটে যদি এসো তবে নিও…