অনুভূতি সমাচার-১
কেমন আছো ?
পুরানো কথার অনুচ্ছেদ ভেঙে জেগে ওঠে
পরস্পরের সুনামি দিন ; দূরত্ব বেলার ফ্ল্যাসব্যাক
যোগপর্ব । এখন উত্তর গোলার্ধ-দক্ষিণ গোলার্ধ।
অনুভূতি সমাচার-২
যতি বিহীন বাক্যের ঢেউয়ে দোল নিয়ে
ঋণ নেয়া সময়েও তোমার চোখের দিকে
তাকিয়ে থাকবো একটানা
দেখবো তোমার চোখের বাড়ি থেকে
বিচ্ছুরিত আলোর শরীরে
আমাকে কীভাবে রেখেছিলে
যেখানে ভালোবাসা সেভ করা যায়।
অনুভূতি সমাচার-৩
আমার অংশে সূর্য
আগুন ছিটায়...উত্তপ্ত ফেলোস্পার
ফুলকিতে পোড়ে বুকের উঠোন
এখানে কালো পিট কয়লার খনি আছে
কষ্টের রং। কয়লা পাঠের জ¦র
তাপমাত্রার কোনো পঠন পাঠন নেই
কষ্ট রঙের বাড়ি ঘরের ঠিকানা কয়লা জানে।
অনুভূতি সমাচার-৪
খেলা ভেঙে খেলতে হয়
নৈমিত্তিক আচারে
তবুও সময়ের ফোকরে স্মৃতিরা ডুব পারে
অবগাহন জলের নৃত্যপর জোয়ারে।
আমার আকাশের চাঁদ বাতাসের মিছিলে
দাবীর স্লোগান প্রকাশের আগেই
সিঁড়ি ভেঙে নেমে আসে
তখন তোমাকে খুব মনে পরে।
আজ অনুভূতি নেই
আমাকে আহ্লাদের আচার দেয়ার কথা ছিল
অথচ সে পরিবর্তনের ঘোড় গাড়িতে
ঘর বাড়ির সমাজতত্তে¡র অনুষ্ঠান করে।
পর্ব দিনগুলোয় উষ্ণতার তৃষ্ণা গান...
সাভার গ্রাম মাটি প্রকৃতি আর অনুভূতি
মিশে গেছে নতুন মানুষের প্রেমে।
তুমি বুকের উদ্ভিদ শব্দাবলির কথায়
বৈশাখের রৌদ্র নিরীক্ষণে এখন ব্যস্ত থাকে
দুই হাতে সংসারে বটি দা নাড়ে।
অনুভূতি সমাচার-৫
কষ্টকে ভাঙলেই আরো কিছু নীল রঙ কষ্ট
অনুভূতির স্মৃতির ছোঁয়ায় কষ্ট হয়ে যায়
কষ্টকাল পুষে রাখার নাম রোগ।
সাভার যাত্রাপর্বে আমি দেখা করতে পারিনি
সেদিন ব্যস্ততার শিকল সময় আটকালে পথে
ডানা ভাঙা ইচ্ছের পাখি ছটফট করছিল।
উৎসব রাঙা অনুভূতির গোলাপ মুখ আর দেখি না।
মুঠোফোনে কল ব্যাক করে এখন তো কথা বলি না
কোনো ম্যাসেজ পাই না উত্তর পাঠানোর স্বদিচ্ছায়।
কেমন আছো ? কেমন থাকতে পারি। স¥ৃতি পাঠ করি না।
ডিজিটাল সময় আকাঙ্খার মুঠোফোনে সিমকার্ড বদলালে
যোগাযোগের যোগ-বিয়োগ দৌড়ায়।